• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
Headline
গোয়াইনঘাটে রোটারি ক্লাব অব সেন্ট্রাল সিলেট এর চারা বিতরণ,বৃক্ষরোপণ ও টিউবওেয়েল উদ্বোধন সারাদেশের ন্যায় গোয়াইনঘাটে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন! গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্সের অভিযান: ২৭টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫ লাখ টাকা জরিমানা গোয়াইনঘাটে মোবাইলে প্রেম বিয়ের দাবিতে ৪ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অবস্থান গোয়াইনঘাটে নন্দিরগাঁও ইউনিয়নে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত অক্সফোর্ডশায়ার বাংলাদেশী এলায়েন্সের সামার পার্টি সম্পন্ন গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সৌজন্যে নন্দিরগাও ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ গোয়াইনঘাটে ৩ মাস ধরে যান চলাচল বন্ধ পাইকরাজ-মুন্সিবাজার সড়ক, দুর্ভোগ দেখতে ছুটে গেলেন জয়নুল ইসলাম গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা কাওছারের অর্থায়নে মসজিদে বিদ্যুৎ সামগ্রী বিতরণ গোয়াইনঘাটে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রুস্তমপুর ইউনিয়ন নেতাকর্মীদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

দোয়ারাবাজারে জঙ্গলে বটবৃক্ষের নিচে ‘আস্তানা’ ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক

নুরুজ্জামান (দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি / ১৩০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

 
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাজিতপুর গ্রামে শতবর্ষী পঞ্চায়েতের কবরস্থানের নির্জন জঙ্গলে পীর পরিচয়ে দিন কাটাচ্ছেন গয়াছ মিয়া (৩৫)। স্বপ্নাদিষ্ট পীর পরিচয়ের আড়ালে চলছে গাঁজা-মদের রমরমা আসর, রাতভর অসামাজিক কার্যকলাপ। পবিত্র কবরস্থানে এই অপতৎপরতায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। (১৯ জুন শুক্রবার) স্থানীয় বাসিন্ধারা জানান, গয়াছ মিয় দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। দীর্ঘ কারাভোগের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফেরেন। বাজিতপুর ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া বলেন, ‘গয়াছ স্বীকারোক্তি দেওয়া খুনি। সে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে জঙ্গলে আস্তানা গেড়েছে। এতে গোটা এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। কারামুক্তির পর গয়াছ দাবি করেন, স্বপ্নে ‘অজ্ঞাত পীরের নির্দেশে’ তিনি কবরস্থানে এসেছেন। এখানে তিনি জিন সাধন করেন এবং মানুষজনকে আধ্যাত্মিক সহযোগিতা করেন। গয়াছ মিয়া এই আধ্যাত্মিক আবরণ ব্যবহার করে বাজিতপুরের গহীন জঙ্গলে শতবর্ষী বটবৃক্ষের নিচে বাঁশ-বেত দিয়ে গড়ে তোলেন দোতলাঘর। বাজিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহীন আলম বলেন, ‘গয়াছ চিহ্নিত ভন্ড। সে নির্জনে পীর সেজে মাদকের আখড়া তৈরি করেছে। সন্ধ্যা হলেই জঙ্গলে শুরু হয় মাদকসেবীদের আড্ডা। চলে রাতভর গাঁজা-মদের আসর।’ বাজিতপুর জামে মসজিদের সভাপতি সুনুর মিয়া বলেন, এটি শত বছরের পবিত্র কবরস্থান। এখানে মৃতদের আত্মার শান্তির জন্য আমরা দোয়া করি। সেই পবিত্র জায়গায় মদ-গাঁজার আসর বসানো সম্পূর্ণ হারাম । ভন্ড গয়াছের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানাই। দোয়ারাবাজার মডেল থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category