
আসন্ন গোয়াইনঘাট উপজেলার ৬ নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ ও পাড়া-মহল্লায় বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। বিশেষ করে ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এখন প্রধান আলোচনার বিষয়—কে হচ্ছেন তাদের পরবর্তী অভিভাবক। আর এই নির্বাচনী মাঠে এবার নতুন চমক ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তরুণ ও উদীয়মান তরুণ ছাত্রনেতা এম গিয়াস রানা
৭নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে এম গিয়াস রানা
নির্বাচনী লড়ার ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। তরুণ এই প্রার্থীকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা গেছে অভূতপূর্ব উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
৭নং ওয়ার্ডের স্থানীয় ভোটার এবং বিশেষ করে যুবসমাজের বড় একটি অংশ এম গিয়াস রানাকে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। সাধারণ মানুষের মতে, এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সামাজিক সমস্যার সমাধানে একজন সৎ, যোগ্য ও কর্মঠ তরুণ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। গিয়াস রানার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও তরুণ সুলভ উদ্যম এরই মধ্যে ভোটারদের আশ্বস্ত করতে শুরু করেছে।
এলাকা ঘুরে জানা যায়,গিয়াস রানা
সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণার পর থেকেই ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সাথে নিয়মিত গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় করে যাচ্ছেন। তাঁর নম্র-ভদ্র আচরণ এবং সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকার মানসিকতার কারণে খুব অল্প সময়েই তিনি সবার মন জয় করে নিয়েছেন।
৭নং ওয়ার্ডের কয়েকজন প্রবীণ ও তরুণ ভোটারের সাথে কথা বললে তারা জানান, "আমরা এবার এমন একজনকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চাই, যিনি শুধু ভোটের সময় নয়, বরং সবসময় আমাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকবেন। এম গিয়াস রানা তরুণ এবং তাঁর মধ্যে সমাজসেবার একটা গভীর আগ্রহ আছে। আমাদের বিশ্বাস, তিনি নির্বাচিত হলে ৭নং ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।"
নির্বাচনী মাঠে অনেক প্রবীণ ও অভিজ্ঞ প্রার্থী থাকলেও, পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে এম গিয়াস রানার এই আগমন ফতেপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী সমীকরণকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এই বিপুল সাড়া এবং উৎসাহ ধরে রাখতে পারলে আগামী নির্বাচনে তরুণ এই প্রার্থীর বড় ধরণের চমক দেখানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।